অধ্যাপক এস এম হোসেন আলী আরও জানান, এবারই প্রথম পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা প্রতিটি খাতা পুনরায় মূল্যায়ন করা হয়েছে। এর ফলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও বেড়েছে। যেসব শিক্ষকের মূল্যায়ন ত্রুটির কারণে ফলাফলে এ ধরনের অসঙ্গতি হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে পরীক্ষা আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ২০২৭ সালের পরীক্ষায় এসব শিক্ষককে খাতা মূল্যায়নের দায়িত্ব দেয়া হবে না।
এছাড়া ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডি গ্রেড থেকে একজন এ মাইনাস এবং ১৪ জন সি গ্রেডে উন্নীত হয়েছে। সি গ্রেড থেকে একজন এ, একজন এ মাইনাস এবং ৬৫ জন বি গ্রেড পেয়েছে। বি গ্রেড থেকে দুইজন জিপিএ-৫, ১২ জন এ এবং ১৫০ জন এ মাইনাস পেয়েছে। এ মাইনাস থেকে ১৯ জন জিপিএ-৫ ও ৩০৮ জন এ গ্রেডে উন্নীত হয়েছে। আর এ গ্রেড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৩১ জন শিক্ষার্থী।